পরানবন্ধুরা,
আমাদের blog-র শুভ উদবোধন-এ সবাইকে জানাই আমার বাঁধভাঙা উচছাস।
বন্ধুর মনের খবরের ভাঁড়ার। আহা! আর কে বলে মনের ঠিকানা পাওয়া দুষকর? Nirmalya আবার ওর স্রিজনশীল মন আর অনুপম একাত্ম বোধের অভিনব পরিচয় রাখল। আমরাও অজান্তেই এই যগ্নে সামিল হয়ে গেলাম।
মানসের লেখা ঈদানিং খুব মিষ্টি হচ্ছে। Site-এ পড়তে আরো ভাল লাগবে। শান্তনু-র পাকা লেখা বহুদিন miss করছি। এবার নিশ্চই সব পাব। সুজয়-ই শুরুটা চিরটাকাল ভাল করে, এবারো করেছে। অবশ্য এই site- আপাততঃ আমার ধরাছোঁয়া-র বাইরে-ই রয়ে গেল। তাতে কি আসে যায়! তোদের সবার চোখ দিয়েই দেখব। আমার হাল তো সেই "জীবনপুরের পথিক রে ভাই, কোন দেশেই সাকিন নাই; তবে খেয়ালপোকা যখন আমার মাথায় নড়ে-চড়ে, কলম হাতে বন্ধু তোমার কথাই মনে পড়ে"।
তুরষ্কের এই অন্চল-টা ইস্তানবুল থেকে বেশী দূরে নয়। Black Sea এবং Mediterrenan কে জুড়েছে দুটো প্রণালী, Bosphorus এবং Dardenelis! Dardenelis-কে অনেকে আদর করে বলেন “দর্দ কে নালী”- 'The Strait of Sorrow'। এখানে সমুদ্র বোতলগ্রীবসদৃশ (Kola had used the word 'bottleneck' – translation-টা আমার: Nirmalya), নদীর মত দুটো কূল দেখা যায়। সবুজ পাহাড়, সোনালী বেলা-তাত নীল আকাশ, হুমড়ি খেয়ে পড়া ঢালু ছাদের বাড়ি। আর চোখে হীরের ঝিলিক তোলা স্বল্পবাক মেয়ের দল। সেই এক ইরানী গোছের পোশাক-আশাক। ইরান দেশের গোলাপ যেন তুরষ্কে এসে চাঁপা ফুল হয়ে উঠেছে। ওখানে ছুটে গেলে কাঁটা লাগতই, আর এখানে সাপের ছোবল খেতে হতে পারে। মানে, সব কিছুর থেকে একটু দুরে দুরে থাকাই ভাল।
থাক এই উদ্ভট দুনিয়ার কথা; এখন গন্তব্য আফ্রিকা - দাড়ি-বুড়োর আফ্রিকা।
তোমরা সবাই ভাল থেকো।
জাহাজ: Torm Charente (আমি এটা যোগ করলাম: Nirmalya)